How to do Laxmi Puja at home: সহজেই লক্ষ্মী পূজা করুন ঘরে

ত্রিলোকের সকল সৌভাগ্য শ্রী এবং ঐশ্বর্যের অধিষ্ঠাত্রী হলেন দেবী লক্ষ্মী। দেবী লক্ষ্মী হলেন সৌভাগ্য এবং শান্তির প্রতীক। দুর্গোৎসবের পর আশ্বিন মাসের শেষ পূর্ণিমা তিথিতে কোজাগরী লক্ষ্মীর (Laxmi Puja at home) আরাধনা করা হয়।

যে কোনো পূর্ণিমা তিথিতেই মা লক্ষ্মীর পুজো করা অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়। তবে কোজাগরী পূর্ণিমায় লক্ষ্মীপুজোর মাহাত্ম্য সর্বাধিক।

বাঙালির প্রতিটি ঘরে এই দিন কোজাগরী লক্ষ্মী পুজো (Laxmi Puja at home) করা হয়। কথিত আছে কোজাগরির লক্ষ্মী পুজোর (Laxmi Puja at home) দিনে দেবী স্বর্গ থেকে মর্তে অবতরণ করেন।

Table of Contents

Laxmi Puja at home

ঘরোয়া লক্ষ্মীপূজার (Laxmi Puja at home) পদ্ধতি

ঘরোয়া লক্ষ্মীপূজার (Laxmi Puja at home) উপকরণ

  • পঞ্চশস্য, হরীতকী, আতপ চাল, তিল, সিস্ ডাব, অগরু, লক্ষ্মী কড়ি, কপুরের গুঁড়ো।
  • ঘি, দুই, মধু, চিনি, পান, লাল পদ্মফুল, লাল জবার মালা, লাল গুলাপি, লাল গোলাপফুল, বেলপাতা।
  • ছোট গামছা, চাঁদমালা, দুই জোড়া শাখা পলা নোয়া (একজোড়া ঘটের জন্যে আর আরেক জোড়া মাকে নিবেদন করার জন্য), দুটো একটি আলতা, সিঁদুরের কৌটো, গঙ্গা মাটি, হলুদের গাঁট, গোটা সুপারি।
  • গঙ্গামাটি অথবা ফুল গাছের তলার মাটি, গঙ্গাজল না থাকলে পরিষ্কার টেপের জল।

ঘরোয়া লক্ষ্মীপূজার আচমন পর্ব

পুজোতে (Laxmi Puja at home) বসার আগে নিজের মাথায় এবং পুজোর সব উপকরণে গঙ্গাজল ছিটিয়ে নিতে হবে। হাতে সামান্য গঙ্গা জল নিয়ে আচমন করে নিতে হবে। পরিষ্কার জলে হাত ধুয়ে নিয়ে হাত জোড় করে বিষ্ণু স্মরণ করে আচমন পর্ব সম্পন্ন করতে হবে।

ঘরোয়া লক্ষ্মীপূজার পুষ্পশুদ্ধিকরণ

লাল গোলাপ মা লক্ষ্মীর অত্যন্ত প্রিয়। তাই কোজাগরী লক্ষ্মীপূজোর (Laxmi Puja at home) দিন অবশ্যই অন্তত একটা লাল গোলাপ মাকে নিবেদন করা যেতে পারে।

পূজার বেলপাতা, দূর্বা, ফুল সবগুলোর উপর চন্দন ছিটিয়ে দিতে হবে। পুজোর ফুলগুলিকে শুদ্ধ করে নিতে হবে পুষ্পশুদ্ধি মন্ত্র  পড়ে।

ঘরোয়া লক্ষ্মীপূজার আসন প্রতিষ্ঠা

প্রথমে মেঝেতে আল্পনা অঙ্কন করে নিতে হবে। মালক্ষ্মীকে যেখানে বসাবেন সেখানে একটা আল্পনা অঙ্কন করতে হবে। যদি ঘরে প্রতিষ্ঠিত মালক্ষ্মী থাকে তাহলেও ঘরের মেঝেতে আসনের সামনে এবং ঘরের প্রবেশ দরজার সামনে, ঠাকুর ঘরের দরজার সামনে আলপনা অঙ্কন করে নিতে হবে। 

আর যদি আলাদা ভাবে মালক্ষ্মীর পূজা (Laxmi Puja at home) করতে হয় তাহলে একটি পরিষ্কার কাঠের জলচোকির বা পিঁড়ির  ওপর গঙ্গাজল ছিটিয়ে একটি লাল কাপড় বিছিয়ে নিতে হবে। 

এই কাপড়ের ওপর কিছুটা গঙ্গাজল, আতপ চাল, পঞ্চশস্য এবং ফুলের পাপড়ি ছিটিয়ে নিতে হবে। তারপর আসনের ওপর মালক্ষ্মীর ছবি অথবা মূর্তি স্থাপন করতে হবে।

ঘরোয়া লক্ষ্মীপূজার স্নানাভিষেক

মাটির মূর্তিতে পুজো করলে পঞ্চামৃত দিয়ে অভিষেক করানো সম্ভব নয়। সেক্ষেত্রে জলশঙ্খে গঙ্গাজল লাল চন্দন বেটে ছিটিয়ে দিতে হবে সেই গঙ্গাজলের মধ্যে তারপর সেই শঙ্খের গঙ্গাজলে লাল চন্দন সহযোগে একটি ফুল দিয়ে মালক্ষ্মী প্রতিমার সামনে তিনবার ঘড়ির কাটার মতো গড়িয়ে সেই জল একটি বাটিতে ঠেলে নিতে হবে।  পরে ওই জল কোনো ফুল গাছের নিচে অথবা জলাশয়ে ফেলে দিতে হবে 

মালক্ষ্মীর ছবির ক্ষেত্রে একটা পরিষ্কার শুকনো সুতির কাপড় নিতে হবে। কাপড়ের ওপর কিছুটা গঙ্গাজল দিয়ে সামান্য অগরু আর কিছুটা গোলাপ জল দিয়ে মা লক্ষ্মীকে এবং মায়ের বাহনকে সুন্দর করে মুছে নিতে হবে।

আর মালক্ষ্মীর পিতলের মূর্তিতে পুজো করলে সেক্ষেত্রে পঞ্চামৃত এবং সুগন্ধি জল দিয়ে মায়ের অভিষেক করিয়ে নেওয়া যাবে।

**পঞ্চামৃত তৈরী করার পক্রিয়া:-  একটি ঘটে একটু গঙ্গা জল, একটু দই , একটু ঘি, মধু এবং চিনি দিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরী করে নিতে হবে। তারপর সেই মিশ্রনে একটু অগরু এবং কিছু ফুলের পাঁপড়ি দিতে হবে। লাল চন্দন বেঁটে একটু ছিটিয়ে দিতে হবে।

ঘরোয়া লক্ষ্মীপূজার সিঙ্গার করা

সিঙ্গার করা

মালক্ষ্মীর কপালে সিঁদুরের ফোঁটা দিতে হবে। লাল চন্দনের তিলক মায়ের কপালে এবং চরণে দিতে হবে, একই সঙ্গে মায়ের বাহন পেঁচার কপালে এবং চরণে লাল চন্দনের তিলক দিয়ে দিতে হবে।

মায়ের এক পাশে আমি রেখেছি জল শঙ্খ এবং আরেক পাশে ধানের ছড়া আর সিঁদুরের কৌটো রাখতে হবে।

লক্ষ্মী পাঁচালি ও ব্রতকথা বই দুটো মালক্ষ্মীর পাশে রাখতে হবে। মাকে এই বিশেষ দিনে আপনি চাইলে একটি নতুন শাড়ী, একটা নতুন আলতা আর নতুন সিঁদুর নিবেদন করলে ভালো। 

ঘরোয়া লক্ষ্মীপূজার দীপ ধুপ জ্বালানো

মালক্ষ্মীর পুজো (Laxmi Puja at home) শুরু করার আগে একটি তিলের তেলের প্রদীপ জ্বালিয়ে নিতে হবে। মালক্ষ্মীর তিলের তেলের প্রদীপ খুব প্রিয়। এটা বিশ্বাস করা হয় তিলের তেলের প্রদীপ ঘরে প্রজ্বলন করলে শান্তি এবং সমৃদ্ধি বৃদ্ধি পায়। সাধারণ পূজাতেও তিলের তেল জ্বালানো যায়। প্রদীপের পাশাপাশি দধূপকাঠি, ধুপ জ্বালিয়ে নিতে হবে। ঘি এর প্রদীপ ও জ্বালানো যেতে পারে এই বিশেষ পুজোর দিনে। 

দীপ ধুপ জ্বালানো

ঘরোয়া লক্ষ্মীপূজার (Laxmi Puja at home) ঘট প্রতিষ্ঠা

প্রথম স্তর

পুজোর (Laxmi Puja at home) ঘটে, সিস্ ডাবে তেল সিঁদুর দিয়ে সস্তিক চিহ্ন অঙ্কন করতে হবে। আম্র পল্লবের প্রতিটি পাতার অগ্রভাগে এবং মধ্যভাগে সিঁদুরের ফোঁটা দিয়ে ঘটের মধ্যে রাখতে হবে। আমপল্লভ পাঁচটি অথবা সাতটি অথবা নটি পাতাযুক্ত হতে হবে।

ঘটটি জলপূর্ণ করে, ঘটে সামান্য গোলাপ জল, একটি হরিতকী, একটা হলুদের গাঁট, একটা গোটা সুপারি, তিনটি দূর্বা, একটি এক টাকার কয়েন বা একটি লক্ষ্মী কড়ি এবং একটু আতপ চাল দিয়ে দিতে হবে।

দ্বিতীয় স্তর

পাঁচটি বা সাতটি বা নটি পাতাসহ একটা আমপল্লব আমি ঘটের ওপর রাখতে হবে। লাল সিঁদুরের ফোঁটা দিয়ে একটি পান পাতা আমপল্লভের উপর রাখতে হবে। পান পাতারের বোঁটার অংশটা এই ঘটের সস্তিক চিহ্ন বরাবর রাখতে হবে। পান পাতার উপর সিস্ ডাব রাখতে হবে। 

সিস্ ডাবের উপর গামছা, সিদ্ধিদাতা গণেশের উদ্দেশ্যে একটি  পৈতে, শাঁখা-পোলা, চাঁদমালা, লাল চন্দন সহযোগে লাল জবার মালা, আর কিছু ফুল, একটি লাল পদ্মফুল এবং তিনটি দুর্বা তিনটি  বেলপাতা দিতে হবে।

(সিস্ ডাবের পরিবর্তে কলা, গোটা হরিতকী বা গোটা সুপারি দিয়েও মা লক্ষ্মীর ঘর স্থাপন করা যায়।)

গঙ্গামাটি গোলাপ জল আর গঙ্গা জল দিয়ে ভিজিয়ে একটি ময়াম বানিয়ে তার উপর সিঁদুর ফোটা, পঞ্চশস্য, আতপ চাল, কিছুটা ধান, ফুলের পাঁপড়ি, দূর্বা দিতে হবে। তারপর ঘটটি শঙ্খধ্বনি এবং উলুধ্বনি দিয়ে স্থাপন করতে হবে। 

মার পূজার (Laxmi Puja at home) ঘটের সামনে একটি কাঁসার ছোট বাটি রাখতে হবে। তার মধ্যে অর্ঘ্য প্রদান করতে হবে।

mongol ghot

ঘরোয়া লক্ষ্মী পূজা (Laxmi Puja at home) শুরু

|| নারায়ণাদির অর্চনা ||

এই প্রক্রিয়াটি বিশদভাবে ঘরোয়া পূজার সাধারণ নিয়মে উল্লেখ করা হয়েছে। 

|| গুরু প্রণাম ||

মন্ত্র উচ্চারণ করে হাতে কিছু ফল নিয়ে হাতজোড় করে নিম্নলিখিত মন্ত্রে ঘটের উপর নিবেদন করতে হবে।

অখণ্ডমণ্ডলাকারং ব্যাপ্তংযেন চরাচরম্।

তৎপদাং  দর্শিতাং যেন তস্মৈ শ্রীগুরুবে নমঃ।।

|| গনেশ পূজা ||

হাতে লাল চন্দন সহযোগে কিছু ফুল, তিনটি দূর্বা ও বেলপাতা নিয়ে হাতজোড় করে ভগবান গনেশের প্রণাম মন্ত্র:- “ও বক্রতুণ্ড মহাকায় সূর্য্যকোটি সমপ্রভ। নির্বিঘ্নং কুরু মে দেব সৰ্ব্বকার্য্যেযু সর্ব্বদা।” 

উচ্চারণ করে ঘটে নিবেদন করতে হবে।

|| মা লক্ষ্মীর ধ্যান মন্ত্র ||

হাতে লাল চন্দন সহযোগে কিছু ফুল, তিনটি দূর্বা ও বেলপাতা নিয়ে হাতজোড় করে

ধ্যানমন্ত্র:- বালার্ক দ্যুতিমিন্দুখণ্ড বিলসৎসকোটীর হারোজ্জ্বলাং রত্নাকল্পবিভূষিতাং কুচনতাং শালেঃ করে মঞ্জরীম্। পদ্মং কৌস্তুভ-রত্নমপ্যবিরতং সংবিভ্রতীং সস্মিতাং ফুল্লান্তোজবিলোচনত্রয়যুতাং ধ্যায়েৎ পরামম্বিকাম্।।” 

উচ্চারণ করে ঘটে নিবেদন করতে হবে।

|| মা লক্ষ্মীর পুষ্পাঞ্জলি নিবেদন ||

হাতে কিছু লাল চন্দন সহযোগে ফুল, বেলপাতা, দূর্বা নিয়ে নিম্নলিখিত মন্ত্র উচ্চারণ করে ঘটে উপর তিনবার নিবেদন করতে হবে।

পুষ্পাঞ্জলি মন্ত্র:-

“নমস্তে সর্বদেবানাং বরদাসী হরিপ্রিয়ে যা গতিস্তত প্রপ নানাং

সামে ভয় দর্চনা এস সচন্দন গন্ধপুষ্প

বিল্যপত্রাঞ্জলি নমঃ শ্রীলক্ষ্মী দেব্যৈ নমঃ”

|| মা লক্ষ্মীর প্রণাম মন্ত্র ||

হাতে লাল চন্দন সহযোগে কিছু ফুল, তিনটি দূর্বা ও বেলপাতা নিয়ে হাতজোড় করে ভগবান 

প্রণামমন্ত্র:- “ওঁ (নমো) বিশ্বরূপস্য ভার্য্যাসি পদ্মে পদ্মালয়ে শুভে। সৰ্ব্বতঃ পাহি মাং দেবি মহালক্ষ্মী নমোহস্তুতে।।” 

উচ্চারণ করে ঘটে নিবেদন করতে হবে।

|| মা লক্ষ্মীর প্রার্থনা মন্ত্র ||

হাতে লাল চন্দন সহযোগে কিছু ফুল, তিনটি দূর্বা ও বেলপাতা নিয়ে হাতজোড় করে ভগবান 

প্রার্থনা মন্ত্র:-

“লক্ষ্মীস্তং সর্বদেবানং যথাসম্ভব নিত্যস স্থিরাভাব তথা

দেবী মম জন্মী জন্মী, বন্দে বিষ্ণুপ্রিয়াং দেবী

দারিদ্র্য দুঃখ নাসিনী ক্ষীরোদ সম্ভবাং দেবীং বিষ্ণুবক্ষ বিলাসিনী”

উচ্চারণ করে ঘটে নিবেদন করতে হবে।

|| মা লক্ষ্মীর দ্বাদশ নাম স্তোত্র ||

Laxmi puja at home

হাতে লাল চন্দন সহযোগে কিছু ফুল, তিনটি দূর্বা ও বেলপাতা নিয়ে হাতজোড় করে ভগবান 

স্তোত্র:-

ও ত্রৈলোক্য পুজিতে দেবী কমলে বিষ্ণু বল্লভে যথা তং সুস্থিরা কৃষ্ণে তথাভবময় স্থিরা।

ঈশ্বরী কমলা লক্ষ্মীশ্চলা ভূর্তি হরিপ্রিয়া পদ্মা পদ্মালয়া সম্পদপ্রদা শ্রীপদ্মধারিণী।

দ্বাদশ শৈতান নামানি লক্ষ্মী সংপূজ্য জঃ পটে স্থিরা লক্ষ্মীর ভবে

তস্য পুত্র দ্বারা দিভিসহ।

উচ্চারণ করে ঘটে নিবেদন করতে হবে।

ঘরোয়া লক্ষ্মীপূজার আরতি পর্ব

সাধারণ নিত্য পুজোয় যা যা দিয়ে আরতি করা হয় অর্থাৎ ধূপকাঠি, তেলের প্রদীপ, ঘিয়ের প্রদীপ, কর্পূর এবং সুগন্ধি ধুনো দিয়ে মালক্ষ্মীকে (Laxmi Puja at home) আরতি করতে হবে।

মালক্ষ্মীর কাছে প্রণাম করে নিজের মনস্কামনা নিবেদন করে নিতে হবে এবং পুজোয় কোন ত্রুটি হয়ে গেলে তার জন্য ক্ষমা চেয়ে নিতে হবে।

ঘরোয়া লক্ষ্মীপূজা (Laxmi Puja at home) সমাপ্ত

FAQs:-

লক্ষ্মীর ঘট স্থাপন মন্ত্র

ঘট স্থাপন মন্ত্র পূজা বিশেষে আলাদা হয়না। একই মন্ত্রে ঘট স্থাপন করে যেকোনো পূজা সম্পন্ন করা যায়। ঘট স্থাপন করার মন্ত্র এইরূপ- ওঁ সর্বতীর্থোদ্ভবং বারি সর্বদেবসম্বন্বিতম। ইমং ঘটং সমারুহ্য তিষ্ট দেবি গনৈঃ সহ।

আবার ঘট স্পর্শ করিয়া তিনবার এই মন্ত্র বলতে হবে- ওঁ স্থাং স্থীং স্থিরৌ ভব, তারপর আবার তিনবার এই মন্ত্র বলতে হবে-  ওঁ ভূর্ভুবঃ স্বঃ তৎ সবিতুর্বরেণ্যং ভর্গো দেবস্য ধীমহি ধিয়ো যো নঃ প্রচোদয়াৎ ওঁ॥ তারপর হাতজোড় করে প্রণাম করতে হবে।

আচমন অথবা শুদ্ধি করণের করার আরেক নাম বিষ্ণু স্মরণ। বিষ্ণু স্মরণ মন্ত্র  বিশদে উল্লেখ করা আছে আমাদের ঘরোয়া পূজার সাধারণ নিয়ম পেইজটিতে। বিষ্ণু স্মরণ পক্রিয়া থেকে মন্ত্র সব কিছু উল্লেখ আছে।

Leave a Comment